সাফল্যেকে কর্মফল বললে নিশ্চয়ই আপত্তি করবেন না। কর্মফল হচ্ছে কর্ম এবং তার ফল। আপনি যতটুকু কর্ম করবেন ততটুকু ফল পাবেন। খুব সহজ বক্তব্য। প্রত্যেকেই সেটা জানেন, বোঝেন। তারপরও খুব কম ব্যক্তিই সেটা বিশ্বাস করেন। সবসময়ই সফল না হওয়ার নানারকম কারনগুলিই চোখে পড়ে।
চেষ্টা করলে হয়ত এই কারনগুলিকে উপেক্ষা করে কর্মকে যাচাই করতে পারেন। অন্যান্য অনেককিছুর মত একেও সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব।
. এখনই করে ফেলুন
আপনাকে যে কাজ করতে হবে সেকাজ এখনই করে ফেলুন। অমুক সময় করব বলে রেখে দেবেন না। তলস্তয়ের সেই ৩ প্রশ্নের গল্প হয়ত মনে আছে। এই মুহুর্ত সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সময়, হাতের কাজটি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজ এবং সামনের ব্যক্তি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ব্যক্তি। প্রতিমুহুর্তে নিজেকে বলুন, কাজ শেষ করে রাখি।
. কাগজে ৬টি সংখ্যা লিখুন
একটি সাদা কাগজ নিন। সেখানে দিনের নাম লিখুন। এরপর ১ থেকে ৬ পর্যন্ত সংখ্যা লিখুন। কি হবে এই ৬ দিয়ে ?
আপনার যে ৬টি কাজ করা প্রয়োজন সেগুলিকে পরপর লিখুন। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজ প্রথমে, তারপর তারচেয়ে কম গুরুত্বপুর্ন কাজ এভাবে। সেটা এমন যায়গায় রাখুন যেন সহজে চোখে পড়ে। সেদিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন, সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজ কি করা হয়েছে ? সেটা শেষ না করে বিশ্রাম নেবেন না। ১ নম্বর শেষ হলে দুনম্বর শুরু করুন।
. নিজের শক্তি সম্পর্কে জানুন
আপনি যে কাজ করতে চান সে কাজ করার সামর্থ্য কতটুকু সেটা জেনে নিন। শারীরিকভাবে দুর্বল ব্যক্তি দুশো কেজি ওজনের কিছু উচু করার চেষ্টার কোন অর্থ নেই। এতে নিজের ক্ষতি করাই সম্ভব। প্রতিটি কাজেই এধরনের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে যা সকলের পক্ষে অতিক্রম করা সম্ভব হয় না। হয়ত এমন কিছু জানা প্রয়োজন যে বিষয়ে আপনার পড়াশোনা নেই (আপাতত), এমন যন্ত্র প্রয়োজন যা আপনার নেই, এতটা অর্থ প্রয়োজন যা আপনার নেই। নিজের জ্ঞান, যন্ত্রপাতি, অর্থ সবকিছুর সাথে মানানসই কাজ করুন।
নিজের সামর্থ্য জানুন, তাকে বাড়াতে চেষ্টা করুন। নিজের দুর্বলতা জানুন, সেটা কাটাতে চেষ্টা করুন।
. নিজের জন্য কিছু সময় রাখুন
নিজের জন্য সময় রাখার বিষয়টিকে সাধারনভাবে অবহেলা করা হয়। পেশাগত অন্যান্য কাজ করার পর হয়ত ব্যস্ত পারিবারিক কাজ নিয়ে, তাদের সাথে সময় দেয়ায়। এগুলি গুরুত্বপুর্ন। তারপরও, নিজের জন্য দৈনিক অন্তত আধঘন্টা সময় পৃথক করুন যখন আপনি কিছুই করবেন না। পছন্দের গান শুনবেন কিংবা শুধুই ভাববেন।
সপ্তাহে একদিন কিংবা মাসে দুদিন কোথাও বেড়াতে যান একাই। দর্শনীয় কোথাও যেতে হবে এমন কথা নেই। অপরিচিত মানুষের মধ্যে অপরিচিত পরিবেশে কিছু সময় কাটান। মনকে তরতাজা করতে এরচেয়ে ভাল ওষুধ নেই। বিভিন্ন কাজের মধ্যে থেকে যে মানষিক ক্লান্তি সেটা দুর হবে এতে। কাজের উতসাহ পাওয়া যাবে, মান উন্নত হবে।
শুধুমাত্র অর্থ জীবন না, শুধুমাত্র কাজ করা জীবন না, শুধুমাত্র ভাল খাবার, ভাল পোষাক জীবন না। সবকিছু মিলিয়ে জীবন। অন্যের থেকে আপনার সমস্যা বেশি একথা মনে করার সময় একবার ভাবুন অনেকের থেকে আপনার সমস্যা কম। যদি কম্পিউটার বা ইন্টারনেট ভিত্তিক কাজকে পেশা হিসেবে ব্যবহার করেন তাহলে এর প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি।
আপনার যদি অন্য ভাবনা থাকে অন্যদের জানান।
ইন্টারনেটে টাকা আয়
ইন্টারনেটে টাকা আয়
Saturday, March 17, 2012
ফ্রিল্যান্সিং কাজে কর্মদক্ষতা বাড়ানোর ১০ কৌশল
একজন ফ্রিল্যান্সারের কাজে বেশি কাজ মানেই বেশি অর্থ। বেশি কাজ অর্থ এই না আপনাকে আরো কয়েক ঘন্টা বেশি সময় কাজ করতে হবে। কিছু কৌশল অবলম্বন করে কর্মদক্ষতা বাড়ানো সম্ভব এবং কম সময়েই বেশি কাজ করা সম্ভব।
সাধারনভাবে মানুষ বেশি কাজের জন্য বেশি সময় ব্যয় করে, অথবা অতিরিক্ত পরিশ্রম করে। দুটিতেই নিজের ওপর চাপ বাড়ে। বরং কর্মদক্ষতার সফল ব্যবহারের সাধারন কৌশলগুলি জেনে নিন।
. মুল বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দিন
কাজের জন্য আপনার যাকিছু প্রয়োজন সবকিছু ঠিকমত আছে কিনা নিশ্চিতকরুন। কম্পিউটার, ইন্টারনেট, বিশেষ সফটঅয়্যার ইত্যাদি থেকে শুরু করে কাজের জন্য যাকিছু প্রয়োজন সবকিছুই। কাজের মাঝখানে এসবের জন্য সময় ব্যয় করা অর্থ সময় নষ্ট করা এবং কাজের ক্ষতি করা।
. নিজের সামর্থ্য সম্পর্কে জানুন
আপনি কোন কাজে সবচেয়ে ভাল, কোন কাজ কতটা করতে পারেন জানার চেষ্টা করুন। আপনি কি কাজ করতে চান, সেজন্য কি কি জানা প্রয়োজন আগেই জেনে নিন। আপনি যদি কাজের সময় ট্রায়াল এন্ড এরর পদ্ধতিতে কাজ করেন তাহলে নিজের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হবে এবং সময় অপব্যয় হবে।
. কি করতে হবে সেটা জানুন
যে কাজ করবেন সেকাজ কিভাবে করতে হয় ভালভাবে জেনে নিন। প্রয়োজনে অন্যরা কিভাবে করে দেখে নিন। যারা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করেন তারা সহজ কিছু নিয়ম তৈরী করে নেন। সেগুলি জানা থাকলে ভাল ফল পাবেন।
. সবকিছু গোছানো রাখুন
আপনার চারিদিকে সবকিছু ছড়ানো-ছিটানো থাকলে এজন্য সময় নষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনীয় একটি কাগজ খুজতে যদি সময় ব্যয় করতে হয় সেই সময় কোন কাজে লাগানো যায় না।
. খবর রাখুন
ফ্রিল্যান্সারকে সবসময় পরিবর্তনের খবর রাখতে হয়। প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত পরিবর্তণ হচ্ছে, তারসাথে মানিয়ে চলুন। হয়ত আপনি যে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করছেন তারচেয়ে ভাল সেবা চালু হয়েছে, যে সফটঅয়্যার ব্যবহার করছেন তার উন্নত সংস্করন বের হয়েছে। এগুলি আপনার সময় বাচাতে পারে।
. বিশ্রাম নিন
বেশি সময় কাজ করলে বেশি ফল পাওয়া যায় একথা বাস্তবে কখনো পাওয়া যায়নি, বরং সবসময় দেখা গেছে যারা বিশ্রাম নিয়ে কাজ করেন তারা অল্প সময়ে বেশি কাজ করেন। বিশ্রাম বাদ দিয়ে কাজ করবেন না।
. সময়মত শুরু করুন
কাজ হাতে রেখে পরে করব বলে বসে থাকবেন না। যা করতে হবে সেটা যত দ্রুত সম্ভব শুরু করুন। সাধারন এই ভুলটি অধিকাংশ মানুষই করেন এবং শেষমুহুর্তে তাড়াহুড়ো করে বিপদে পড়েন।
. অন্য বিষয়গুলি ঠিক রাখুন
কাজের জন্য অন্যদের সাথে সম্পর্ক, যোগাযোগ ইত্যাদি বাদ দেবেন না। অনেক সময়ই দুটিতে বিরোধ বাধতে পারে কিস্তু আপনার দুটিই প্রয়োজন।
. শান্ত থাকুন
নিজেকে যত শান্ত রাখতে পারেন কাজ থেকে তত ভাল ফল পাওয়ার সম্ভাবনা। বক্সিং এর ক্ষেত্রে একটা কথা প্রচলিত, যে বক্সার রেগে তেড়ে যায় সে হারে। যে বিপদেও মাথধা ঠান্ডা রাখতে পারে সে সফল হয়।
. কাজ চালিয়ে যান
ফ্রিল্যান্সরের অসন্তুষ্ট হওয়ার মত কারনের অভাব নেই। ক্লায়েন্টের কারনে, পেমেন্টের কারনে, কাজের ধরনের কারনে থেকে শুরু করে পারিপার্শিকতার কারনে বিরক্ত হতে পারেন। নিজেকে বলুন, ধৈর্য্য ধরে কাজ করে যাওয়া ছাড়া সমস্যা এড়ানোর অন্য পথ নেই।
নিজের জন্য একটি রুটিন তৈরী করে নিন। সকালে কখন ঘুম থেকে উঠবেন থেকে শুরু করে কোন কাজ কখন করবেন ইত্যাদি সেখানে লিখে রাখুন। অবশ্যই আপনাকে অফিসের নিয়মে মিনিট হিসেবে কাজ করতে বলা হচ্ছে না (তাহলে আপনি ফ্রিল্যান্সার কেন ?), বরং একে গাইডলাইন হিসেবে ব্যবহার করুন।
আপনার কোন অভিজ্ঞতা বা মতামত অন্যদের জানাতে পারেন।
ফ্রিল্যান্সারের প্রধান ৫ সমস্যা এবং সমাধান
ফ্রিল্যান্সারদের সম্পর্কে অনেকেরই ধারনা তারা ফাকিবাজি কাজ করেন। নিজের বাড়িতে থাকেন, ইচ্ছেমত কাজ করেন। অনেকেই মনে করেন কম্পিউটার আর ইন্টারনেট থাকলে কপিরাইটার, গ্রাফিক ডিজাইনার কিংবা এসইও এক্সপার্ট হয়ে বেশ আয় করা যায়। এই ধারনায় দোষের কিছু নেই যদি কাজের জন্য সেই পরিমান মনোনিবেশ করা হয়, দক্ষতার সাথে কাজ করা হয়। অনেকেই সেটা বুঝতে ভুল করেন, ফল হিসেবে বেশকিছু সমস্যা তৈরী হয়। ফ্রিল্যান্সারের নিজের, অন্য ফ্রিল্যান্সারের এবং ক্লায়েন্টের।
সৌখিন ফ্রিল্যান্সার যে সমস্যাগুলি তৈরী করেন এধরনের ৫টি প্রধান সমস্যা এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে।
. মনমত কাজ করা
ফ্রিল্যান্সার অনেকসময়ই ধরে নেন যখন ভাল লাগবে তখন কাজ শেষ করবেন। তার হাতে কাজ জমা থাকে। একদিকে সময় গড়াতে থাকে, ক্লায়েন্ট বিরক্ত হয়, শেষে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করায় কাজের মানের ওপর প্রভাব পড়ে।
যদি সত্যিকারের অর্থেই ভাল করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিংকে অফিসে চাকরী করার মত একই দৃষ্টিতে দেখুন। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করুন। যদি বোধ করেন ফ্রিল্যান্সিং আপনার সাথে মানানসই হচ্ছে না সাথেসাথে ছেড়ে দিন। ভাললাগা ছাড়া চাকরী করা সম্ভব, ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব না।
. অতিরিক্ত কাজ হাতে নেয়া
আপনি কি এত পরিমান কাজ হাতে নিয়েছে যেখানে এক কাজ করার সময় আরেক কাজের কথা ভাবতে হচ্ছে ? বেশি উপার্জনের জন্য অনেকেই সেটা করেন। এর খারাপ দিক হচ্ছে তাড়াহুড়ার ছাপ পড়বে আপনার প্রতিটি কাজের ওপর, প্রত্যেক ক্লায়েন্ট সেটা জানবেন এবং প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরবর্তী কাজে সমস্যা তৈরী হবে।
আপনার পক্ষে কতটা সময় ব্যয় করা সম্ভব সেটা হিসেব করে নিন, সেই সময়ে যতটা কাজ করা সম্ভব ততটা কাজই নিন। এক কাজের মধ্যে আরেক কাজে হাত দেবেন না।
. গাইডলাইন না মানা
ফ্রিল্যান্সার নিজস্ব কিছু নিয়ম মেনে চলেন। একসময় সেটা এতটাই নিয়মে দাড়িয়ে যায় যে ক্লায়েন্টর বক্তব্য ভালভাবে দেখাও প্রয়োজন বোধ করেন না। এরফলে এমন কিছু নির্দেশ এরিয়ে যেতে পারে যেখানে ক্লায়েন্ট ধারনা করবেন ফ্রিল্যান্সার দায়িত্বহীন।
সমাধান খুব সহজ। ক্লায়েন্ট যে নির্দেশ দিয়েছেন তার প্রতিটি শব্দ একাধিকবার পড়ুন। সেখান থেকে পয়েন্টগুলি পৃথক করুন এবং সেগুলি মেনে কাজ করুন।
. নমুনা এবং কাজের পার্থক্য
কাজ পাওয়ার জন্য আপনি সবচেয়ে ভাল নমুনা দেখাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কাজ হাতে পাওয়ার পর আপনি হয়ত তারসাথে মানানসই কাজ করলেন না। ক্লায়েন্ট নমুনা দেখে ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে যে আশা করেছিলেন সেটা যদি কাজে না পান তাহলে তিনি হতাস হবেন।
এর সমাধান হিসেবে কাজ চুড়ান্ত করার আগেই যতটা সম্ভব কাজটি দেখাতে চেষ্টা করুন, ক্লায়েন্টের বক্তব্য শুনুন। যদি ক্লায়েন্ট এমনকিছু চান যেখানে অন্যের সাহায্য প্রয়োজন হবে, সেটা আগে নিশ্চিত হয়ে নিন। অবশ্যই এমন ক্লায়েন্ট রয়েছে যারা যত বেশি দেবেন তারথেকেও কিছু বেশি আশা করে। এধরনের ক্লায়েন্ট থেকে দুরে থাকুন।
. যোগাযোগে দেরী করা
ক্লায়েন্ট হয়ত আপনাকে মেইল করেছেন কিংবা অন্যভাবে যোগাযোগ করেছেন, কোনভাবে সেটা আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে গেল। সময়মত যোগাযোগ করলেন না। এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। তার কোন বক্তব্য থাকতে পারে যা সাথেসাথে শোনা প্রয়োজন।
সমস্যা এড়াতে মুলত ইমেইল যোগাযোগ ব্যবহার করুন। আপনি যদি ওডেস্ক কিংবা ইল্যান্স এর মত সাইট ব্যবহার করেন, নিজের মুল ইমেইল ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত (দিনে কয়েকবার) দেখে নিন নতুন মেইল আছে কিনা। সাথেসাথে উত্তর দিন।
সৌখিন ফ্রিল্যান্সার যে সমস্যাগুলি তৈরী করেন এধরনের ৫টি প্রধান সমস্যা এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে।
. মনমত কাজ করা
ফ্রিল্যান্সার অনেকসময়ই ধরে নেন যখন ভাল লাগবে তখন কাজ শেষ করবেন। তার হাতে কাজ জমা থাকে। একদিকে সময় গড়াতে থাকে, ক্লায়েন্ট বিরক্ত হয়, শেষে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করায় কাজের মানের ওপর প্রভাব পড়ে।
যদি সত্যিকারের অর্থেই ভাল করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিংকে অফিসে চাকরী করার মত একই দৃষ্টিতে দেখুন। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করুন। যদি বোধ করেন ফ্রিল্যান্সিং আপনার সাথে মানানসই হচ্ছে না সাথেসাথে ছেড়ে দিন। ভাললাগা ছাড়া চাকরী করা সম্ভব, ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব না।
. অতিরিক্ত কাজ হাতে নেয়া
আপনি কি এত পরিমান কাজ হাতে নিয়েছে যেখানে এক কাজ করার সময় আরেক কাজের কথা ভাবতে হচ্ছে ? বেশি উপার্জনের জন্য অনেকেই সেটা করেন। এর খারাপ দিক হচ্ছে তাড়াহুড়ার ছাপ পড়বে আপনার প্রতিটি কাজের ওপর, প্রত্যেক ক্লায়েন্ট সেটা জানবেন এবং প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরবর্তী কাজে সমস্যা তৈরী হবে।
আপনার পক্ষে কতটা সময় ব্যয় করা সম্ভব সেটা হিসেব করে নিন, সেই সময়ে যতটা কাজ করা সম্ভব ততটা কাজই নিন। এক কাজের মধ্যে আরেক কাজে হাত দেবেন না।
. গাইডলাইন না মানা
ফ্রিল্যান্সার নিজস্ব কিছু নিয়ম মেনে চলেন। একসময় সেটা এতটাই নিয়মে দাড়িয়ে যায় যে ক্লায়েন্টর বক্তব্য ভালভাবে দেখাও প্রয়োজন বোধ করেন না। এরফলে এমন কিছু নির্দেশ এরিয়ে যেতে পারে যেখানে ক্লায়েন্ট ধারনা করবেন ফ্রিল্যান্সার দায়িত্বহীন।
সমাধান খুব সহজ। ক্লায়েন্ট যে নির্দেশ দিয়েছেন তার প্রতিটি শব্দ একাধিকবার পড়ুন। সেখান থেকে পয়েন্টগুলি পৃথক করুন এবং সেগুলি মেনে কাজ করুন।
. নমুনা এবং কাজের পার্থক্য
কাজ পাওয়ার জন্য আপনি সবচেয়ে ভাল নমুনা দেখাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কাজ হাতে পাওয়ার পর আপনি হয়ত তারসাথে মানানসই কাজ করলেন না। ক্লায়েন্ট নমুনা দেখে ফ্রিল্যান্সার সম্পর্কে যে আশা করেছিলেন সেটা যদি কাজে না পান তাহলে তিনি হতাস হবেন।
এর সমাধান হিসেবে কাজ চুড়ান্ত করার আগেই যতটা সম্ভব কাজটি দেখাতে চেষ্টা করুন, ক্লায়েন্টের বক্তব্য শুনুন। যদি ক্লায়েন্ট এমনকিছু চান যেখানে অন্যের সাহায্য প্রয়োজন হবে, সেটা আগে নিশ্চিত হয়ে নিন। অবশ্যই এমন ক্লায়েন্ট রয়েছে যারা যত বেশি দেবেন তারথেকেও কিছু বেশি আশা করে। এধরনের ক্লায়েন্ট থেকে দুরে থাকুন।
. যোগাযোগে দেরী করা
ক্লায়েন্ট হয়ত আপনাকে মেইল করেছেন কিংবা অন্যভাবে যোগাযোগ করেছেন, কোনভাবে সেটা আপনার দৃষ্টি এড়িয়ে গেল। সময়মত যোগাযোগ করলেন না। এটা অত্যন্ত ক্ষতিকর। তার কোন বক্তব্য থাকতে পারে যা সাথেসাথে শোনা প্রয়োজন।
সমস্যা এড়াতে মুলত ইমেইল যোগাযোগ ব্যবহার করুন। আপনি যদি ওডেস্ক কিংবা ইল্যান্স এর মত সাইট ব্যবহার করেন, নিজের মুল ইমেইল ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত (দিনে কয়েকবার) দেখে নিন নতুন মেইল আছে কিনা। সাথেসাথে উত্তর দিন।
Monday, March 5, 2012
ইন্টারনেটে টাকা আয়
wcÖq eÜziv, Avm&mvjv gy AvjvBKzg |
‡Kgb Av‡Qb mevB ? fvj Av‡Qb ‡Zv ? AvR Avwg Avcbv‡`i‡K B›Uvi‡b‡U Av‡qi †KŠkj m¤ú©‡K mvgvb¨ wKQy Rvbv‡Z †Póv Kie|
ফ্রিল্যান্সার হতে চান?
আমি ফ্রিল্যান্সার এই পরিচয় দেয়ার জন্য বহু সময় অপেক্ষা করতে হয়। কয়েক মাস কিংবা বছর চেষ্টার পর আপনি সত্যিকারের ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন। এই সময় কাটানোর পর কি আপনার মনে এমন প্রশ্ন আসেতে পারে, ফ্রিল্যান্সিং আমার জন্য ঠিক কি-না।
আপনি অর্ধেক পথ যাওয়ার পর ঠিকপথে চলছেন নাকি ভুলপথে চলছেন এপ্রশ্ন কোন উপকার বয়ে আনে না। যদি সম্ভাবনা থেকেই থাকে, আগে পথটি সম্পর্কে জেনে নিন। ফ্রিল্যান্সার হওয়ার আগে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে আপনি যাচাই করে নিতে পারেন একাজ আপনার জন্য মানানসই কিনা।
. আপনি কি একা কাজ করতে পছন্দ করেন
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে পুরোপুরি একা কাজ করতে হতে পারে। বিষয়টি কারো পছন্দ, কারো অপছন্দ। কেউ কাজের সময় কাছাকাছি অন্যের উপস্থিতিতে বিরক্ত হন, কেউ অন্যের উপস্থিতি পছন্দ করেন। কেউ কাজের মধ্যে অন্যের পরামর্শ-মন্তব্য পছন্দ করেন না কেউ সেটাই আশা করেন।
ফ্রিল্যান্সারের জন্য অন্যের উপস্থিতি ছাড়াই কাজ করার মানষিকতা থাক জরুরী। এমন না যে অন্য কেউ থাকবে না, কিন্তু না থাকলেও আপনাকে কাজ শেষ করতে হবে।
. আপনি কি নিজে থেকেই কাজে আগ্রহি নাকি অন্যের দেয়া উতসাহে সাড়া দেন
অন্যের উতসাহ-প্রশংসা ইত্যাদি যদি আপনার কাজকে প্রভাবিত করে তাহলে সেটা ফ্রিল্যান্সিং কাজে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে। ফ্রিল্যান্সারদের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় অভিযোগ তারা সময়মত কাজ শেষ করেন না, আর এর পেছনের বিষয় হচ্ছে কাজ সম্পর্কে উতসাহ না থাকা। অনেকের কাছে উতসাহ বিষয়টি স্বভাবগত। যাকিছু কাজ আছে হিসেব মিলিয়ে শেষ করেন, এমনকি হাতে কাজ না থাকলে ভবিষ্যতের কাজ এগিয়ে রাখেন।
. কতটা উপার্জন প্রয়োজন
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে একটা হিসেব করে নিন, আপনার খরচ কত। বাড়িভাড়া, যাতায়াত-খাবার এবং অন্যান্য খরচ সব মিলিয়ে আপনাকে কমপক্ষে কত আয় করতে হবে, আপনি কতঘন্টা কাজ করে সেটা আয় করতে পারেন। খরচের বাইরে অতিরিক্ত হিসেবে আপনি কতটা আয় করতে চান। একে তুলনা করুন চাকরী করলে যা আয় করা সম্ভব তার সাথে।
অবশ্য চাকরী পাওয়া যেখানে অনিশ্চিত সেখানে এই হিসেব ভিন্ন হতেই পারে।
. আপনার দক্ষতা কিসে
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কোন কাজ করতে চান। সেই বিষয়ে আপনার দক্ষতা কতটুকু। এই মুহুর্তে কতটুকু, আগামীতে সেটা কতটা বাড়ানো সম্ভব। আপনি কাজটি কতটা পছন্দ করেন। ফ্রিল্যান্সিং কাজে দক্ষতা এবং কাজ করে আনন্দ পাওয়া দুটিই প্রয়োজন।
. কাজ পাওয়ার জন্য আপনার কি ব্যবস্থা আছে
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকেই ক্লায়েন্ট খুজে বের করতে হবে। আপনি সেটা কিভাবে করবেন স্পষ্ট ধারনা নিন। স্থানীয় ভাবে ক্লায়েন্ট খোজ করবেন নাকি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিং কাজ খোজ করবেন। স্থানীয়ভাবে কাজ খোজার জন্য আপনার ব্যক্তি পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াতে হবে, ইন্টারনেটে কাজ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন সাইট নিয়মিত দেখা, নিজেস্ব ওয়েবসাইট-ব্লগ ইত্যাদি প্রয়োজন হবে।
আপনি ফ্রিল্যান্সার হবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত আপনার। ১০ বছর সময় কাটানোর পর যদি ভাবেন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ভুল করেছি, অথবা আক্ষেপ করেন ১০ বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে এতদিনে ভাল করতাম এমন অবস্থার দিকে যেন না যেতে হয়। আপনার সিদ্ধান্ত এবং পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে সাফল্য অথবা ব্যর্থতা Twitter Bird Gadget class="textexposedshow">।
‡Kgb Av‡Qb mevB ? fvj Av‡Qb ‡Zv ? AvR Avwg Avcbv‡`i‡K B›Uvi‡b‡U Av‡qi †KŠkj m¤ú©‡K mvgvb¨ wKQy Rvbv‡Z †Póv Kie|
ফ্রিল্যান্সার হতে চান?
আমি ফ্রিল্যান্সার এই পরিচয় দেয়ার জন্য বহু সময় অপেক্ষা করতে হয়। কয়েক মাস কিংবা বছর চেষ্টার পর আপনি সত্যিকারের ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন। এই সময় কাটানোর পর কি আপনার মনে এমন প্রশ্ন আসেতে পারে, ফ্রিল্যান্সিং আমার জন্য ঠিক কি-না।
আপনি অর্ধেক পথ যাওয়ার পর ঠিকপথে চলছেন নাকি ভুলপথে চলছেন এপ্রশ্ন কোন উপকার বয়ে আনে না। যদি সম্ভাবনা থেকেই থাকে, আগে পথটি সম্পর্কে জেনে নিন। ফ্রিল্যান্সার হওয়ার আগে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে আপনি যাচাই করে নিতে পারেন একাজ আপনার জন্য মানানসই কিনা।
. আপনি কি একা কাজ করতে পছন্দ করেন
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকে পুরোপুরি একা কাজ করতে হতে পারে। বিষয়টি কারো পছন্দ, কারো অপছন্দ। কেউ কাজের সময় কাছাকাছি অন্যের উপস্থিতিতে বিরক্ত হন, কেউ অন্যের উপস্থিতি পছন্দ করেন। কেউ কাজের মধ্যে অন্যের পরামর্শ-মন্তব্য পছন্দ করেন না কেউ সেটাই আশা করেন।
ফ্রিল্যান্সারের জন্য অন্যের উপস্থিতি ছাড়াই কাজ করার মানষিকতা থাক জরুরী। এমন না যে অন্য কেউ থাকবে না, কিন্তু না থাকলেও আপনাকে কাজ শেষ করতে হবে।
. আপনি কি নিজে থেকেই কাজে আগ্রহি নাকি অন্যের দেয়া উতসাহে সাড়া দেন
অন্যের উতসাহ-প্রশংসা ইত্যাদি যদি আপনার কাজকে প্রভাবিত করে তাহলে সেটা ফ্রিল্যান্সিং কাজে বাধা হয়ে দাড়াতে পারে। ফ্রিল্যান্সারদের সম্পর্কে সবচেয়ে বড় অভিযোগ তারা সময়মত কাজ শেষ করেন না, আর এর পেছনের বিষয় হচ্ছে কাজ সম্পর্কে উতসাহ না থাকা। অনেকের কাছে উতসাহ বিষয়টি স্বভাবগত। যাকিছু কাজ আছে হিসেব মিলিয়ে শেষ করেন, এমনকি হাতে কাজ না থাকলে ভবিষ্যতের কাজ এগিয়ে রাখেন।
. কতটা উপার্জন প্রয়োজন
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরুর আগে একটা হিসেব করে নিন, আপনার খরচ কত। বাড়িভাড়া, যাতায়াত-খাবার এবং অন্যান্য খরচ সব মিলিয়ে আপনাকে কমপক্ষে কত আয় করতে হবে, আপনি কতঘন্টা কাজ করে সেটা আয় করতে পারেন। খরচের বাইরে অতিরিক্ত হিসেবে আপনি কতটা আয় করতে চান। একে তুলনা করুন চাকরী করলে যা আয় করা সম্ভব তার সাথে।
অবশ্য চাকরী পাওয়া যেখানে অনিশ্চিত সেখানে এই হিসেব ভিন্ন হতেই পারে।
. আপনার দক্ষতা কিসে
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কোন কাজ করতে চান। সেই বিষয়ে আপনার দক্ষতা কতটুকু। এই মুহুর্তে কতটুকু, আগামীতে সেটা কতটা বাড়ানো সম্ভব। আপনি কাজটি কতটা পছন্দ করেন। ফ্রিল্যান্সিং কাজে দক্ষতা এবং কাজ করে আনন্দ পাওয়া দুটিই প্রয়োজন।
. কাজ পাওয়ার জন্য আপনার কি ব্যবস্থা আছে
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনাকেই ক্লায়েন্ট খুজে বের করতে হবে। আপনি সেটা কিভাবে করবেন স্পষ্ট ধারনা নিন। স্থানীয় ভাবে ক্লায়েন্ট খোজ করবেন নাকি ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিং কাজ খোজ করবেন। স্থানীয়ভাবে কাজ খোজার জন্য আপনার ব্যক্তি পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়াতে হবে, ইন্টারনেটে কাজ পাওয়ার জন্য বিভিন্ন সাইট নিয়মিত দেখা, নিজেস্ব ওয়েবসাইট-ব্লগ ইত্যাদি প্রয়োজন হবে।
আপনি ফ্রিল্যান্সার হবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত আপনার। ১০ বছর সময় কাটানোর পর যদি ভাবেন ফ্রিল্যান্সার হয়ে ভুল করেছি, অথবা আক্ষেপ করেন ১০ বছর আগে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করলে এতদিনে ভাল করতাম এমন অবস্থার দিকে যেন না যেতে হয়। আপনার সিদ্ধান্ত এবং পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করছে সাফল্য অথবা ব্যর্থতা Twitter Bird Gadget class="textexposedshow">।
Subscribe to:
Posts (Atom)